বিলে বলা হয়েছে, করপোরেশন শিল্প ক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও তাঁদের সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। বিলে অতিক্ষুদ্র শিল্প, কুটির শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প, মাঝারি শিল্প, শিল্পপার্ক বা শিল্পনগরী এবং হস্ত ও কারুশিল্পের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি করপোরেশন থেকে ঋণ বা অন্য কোনো সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেন বা জ্ঞাতসারে মিথ্যা বিবরণী ব্যবহার করেন বা করপোরেশনকে কোনো প্রকারে মিথ্যা প্রতিবেদন গ্রহণ করতে প্ররোচনা দেন, তা হলে এর শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

কোনো ব্যক্তি করপোরেশনের কাছ থেকে শিল্পপার্ক বা শিল্পনগরীতে কোনো প্লট বরাদ্দ পেয়ে যদি ওই প্লট বা তার অংশবিশেষ অবৈধভাবে হস্তান্তর বা ভাড়া দেয় বা শিল্পকারখানা ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করেন, তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর দণ্ড সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, এ আইন বিসিকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশ শিল্প-নকশা বিল সংসদে

জনশৃঙ্খলা, পরিবেশ ও নৈতিকতা পরিপন্থী এবং জাতীয় প্রতীকের সমন্বয়ে গঠিত কোনো শিল্প-নকশা মালিকানা স্বত্ব পাবে না, এমন বিধান রেখে আজ ‘বাংলাদেশ শিল্প-নকশা বিল ২০২২’ সংসদে তোলা হয়েছে। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বিলটি সংসদে তোলার পর তা ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

দ্য পেটেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন অ্যাক্ট ১৯১১ রহিত করে নতুন করে এ আইন করা হচ্ছে।
বিলে বলা হয়েছে, আইনের অধীন বিধি দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং ফি প্রদান সাপেক্ষে শিল্প-নকশার নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।