কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আরমান আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের সরবরাহে খুব বেশি টানাটানি আছে, তা নয়। তবে ঈদের সময় নানা পদের খাবারে কাঁচা মরিচের ব্যবহার বাড়ে। এতে চাহিদা বাড়ে। পাইকারিতে বেশি কিনতে হচ্ছে, তাই বাড়তি দামে বিক্রি করছি।’

সরবরাহে তেমন ঘাটতি না থাকায় অন্যান্য সবজির দামে বড় পার্থক্য দেখা যায়নি। খুচরা বাজারে পটোল, ঢ্যাঁড়স, বরবটি, পেঁপে, কচুমুখী, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঝিঙে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ঈদের পর কাঁচা সালাদের উপকরণের দামও কমছে। রাজধানীর বাজারে গতকাল ভালো মানের টমেটো বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। ঈদের আগে যা ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। আমদানি বন্ধ থাকায় মাসখানেক আগে টমেটোর দাম ৩০০ টাকায় উঠেছিল।

বাজারে শসার দামও কমেছে; হাইব্রিড ও দেশি শসা গতকাল বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। ১৮০ থেকে কমে গাজর বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। আকারভেদে এক ডজন লেবু বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ৫০ টাকায়। মানভেদে ধনেপাতা ছিল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি।

বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক দাবি করে বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইমরান মাস্টার বলেন, এই ঈদে যেহেতু মাংস রান্না ও সালাদের চাহিদা বেশি থাকে, সেহেতু কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা বেড়েছে। আজকে (বৃহস্পতিবার) কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। সপ্তাহখানেকের মধ্যে এটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন