পিতলের ওপর ভিত্তি করে হাজার হাজার শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব পিতলের বড় অংশের জোগান আসে আন্তর্জাতিক দরপত্রে কেনা বিভিন্ন জাহাজ থেকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে সংগৃহীত পিতল থেকে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পিতলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এসব পিতল পাচার হচ্ছে। ফলে দেশে পিতলসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে পিতলনির্ভর শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধের উপক্রম হচ্ছে। ২০২২ সালের জাতীয় শিল্পনীতি অনুযায়ী দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশ করার কথা বলা রয়েছে। তাই দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশে অবশ্যই পিতল পাচার বন্ধ করতে হবে।

আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির জানান, রুলে প্রত্যেক জাহাজ থেকে প্রাপ্ত পিতলের পরিমাণ নিবন্ধন, জাহাজভাঙা শিল্প-কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত, জাহাজভাঙা শিল্প কারখানায় ১৮ বছরের নিচে কাউকে নিয়োগ না দিতে এবং শিল্পকারখানার শ্রমিকদের দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শ্রমিকদের জন্য ২০০৬ সালের শ্রম আইনের ৯৯ ধারা অনুসারে গ্রুপ বিমা গ্রহণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চেয়েছেন আদালত।

শিল্পসচিব, বাণিজ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব,বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং এবং শিপ রিসাইক্লিং বোর্ডের মহাপরিচালক, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব, পরিবার কল্যাণসচিব ও বিআইডব্লিউটির চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।