চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামি শামসুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে ৩৭টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আগামীকাল সোমবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।

৫ জানুয়ারি আদালত ভবনের নিচতলায় অবস্থিত হাজতখানার সামনে পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যান আসামি শামসুল হক। এর আগের দিন ১ হাজার ইয়াবাসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে চন্দনাইশ থানার পুলিশ। আসামি পালানোর ঘটনায় সাত পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে ঘটনার দিনই।

৫ জানুয়ারি আদালত ভবনের নিচতলায় অবস্থিত হাজতখানার সামনে পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যান আসামি শামসুল হক। এর আগের দিন ১ হাজার ইয়াবাসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে চন্দনাইশ থানার পুলিশ। আসামি পালানোর ঘটনায় সাত পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে ঘটনার দিনই।

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যদের একজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী ট্রাফিক উপপরিদর্শক (এটিএসআই) ও চারজন কনস্টেবল। আদালতে পুলিশি হেফাজত থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক জাকের হোসাইন মাহমুদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।