মাহমুদার অনেক অর্জনের মধ্যে রয়েছে নারীর ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার বিষয়ে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বিকাশে সরকারকে সাহায্য করা, সরকারের বিভিন্ন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় লিঙ্গ সমতাকে একীভূত করা, ২০০৬ সালে দূতাবাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদ্‌যাপন শুরু করার মতো নানা কার্যক্রম। মাহমুদা ইউএসএআইডি এবং দূতাবাসের কর্মীদের পাশাপাশি ইউএসএআইডির অংশীদারদের সক্ষমতা তৈরিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের কাজে লিঙ্গ সমতার বিষয়টি যুক্ত করতে সাহায্য করেছেন।

ইউএসএআইডি তাদের ফেসবুক পেজে মাহমুদাকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছে, ‘আমরা আপনার জন্য গর্বিত। ইউএসএআইডি ও দূতাবাস ঢাকা এবং বাংলাদেশে লিঙ্গ সমতার জন্য আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন