বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সম্প্রতি নির্বাচন নিয়ে মন্তব্যের বিষয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, এটা উনি শুনেছেন, কেউ তাঁকে বলেছে। নিশ্চয় কেউ তাঁকে এভাবে ব্রিফ করেছে। সেজন্য তিনি এটা বলে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি বাংলাদেশের খুব ভালো বন্ধু।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা আমার মনে হয়, কোনো কোনো লোক তাঁকে পুশ করেছে। তিনি সাদাসিধাভাবে বলে ফেলেছেন। জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং আরও গভীর হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী জাপান যাওয়ার পর কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে উন্নীত করতে চাই। আমরা তাদের পছন্দ করি, তারাও আমাদের পছন্দ করে।’

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে মোমেন বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী জাপানে যাবেন। তাদের একটু ঝামেলাও আছে। জাপানে তিনজন মন্ত্রী সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। তাদের সরকার একটু ঝামেলায় আছে। তবে তারা সফর নিয়ে প্রস্তুত আছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা চাই ওপেন, ফ্রি, ইনক্লুসিভ, সিকিউর পিসফুল নেভিগেশন।’

ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বাংলাদেশের ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ নিয়ে সম্প্রতি একটি বক্তব্য দেন। তাঁর সেই বক্তব্য নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে মোমেন বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমরা সরাসরি শিপিং লাইন চালু করতে চাই। কলম্বো বন্দরে আমাদের জাহাজকে যেন অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাণিজ্য বাড়াতে আলোচনা হয়েছে।’

মরিশাস ও তাঞ্জানিয়ার মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘মরিশাসে কৃষিজমি চাষে আমরা কন্ট্রাক্ট ফার্মিং চাই। ব্লু ইকোনমিতে তাদের সহযোগিতা চাই। তাদের সঙ্গে ওষুধ রপ্তানি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তাঞ্জানিয়ার সঙ্গেও কন্ট্রাক্ট ফার্মিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে আমাদের প্রস্তাবও দিয়েছে।’