জুলাইয়ের হত্যাচেষ্টা মামলায় এবার সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান গ্রেপ্তার
ছাগল-কাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার ইমরান হোসেনকে এবার জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় করা এক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম এ আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের ৩ মার্চ ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরদিন ১৩৩ কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মানি লন্ডারিং আইনের একটি মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় করা এক হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক রানা রায় গত ৩১ জুলাই ইমরান হোসেনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। সেদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৩ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
আজকের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের বিরোধিতা করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ইমরান হোসেনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ৩ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বছিলা বেড়িবাঁধ, বছিলা সেতু, বছিলা চেকপোস্ট ও আশপাশের এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধ হামলা চালান। এ সময় আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করা হলে অনেকেই গুলিবিদ্ধ হন। এতে মো. ছালেমান পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৫ জনকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।