আইনজীবীর তথ্যমতে, সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দের অভিযোগে কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই মামলায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালত কুতুবকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে গত ১০ মার্চ কুতুব হাইকোর্টে আপিল করেন। ১৬ মার্চ হাইকোর্ট আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। এরপর জামিন চেয়ে আবেদন করেন কুতুব, যার ওপর আজ শুনানি হয়।

আদালতে কুতুবের পক্ষে আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও নাজমুল হাসান এবং দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানিতে ছিলেন।

কুতুবের অন্যতম আইনজীবী নাজমুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, অধিগ্রহণের পর গেজেটের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি ভূমি মন্ত্রণালয় অবমুক্ত করে। পরে সম্পত্তি হস্তান্তর হয়। তবে অবমুক্ত করা নিয়ে রাজউক হাইকোর্টে রিট করলে তাদের পক্ষে রায় যায়। কিন্তু যে সময় ওই সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তখন তা রাজউকের সম্পত্তি ছিল না—মূলত এসব যুক্তিতে আপিল করে জামিন চাওয়া হয়। জামিন মঞ্জুর হওয়ায় কুতুবের কারামুক্তিতে আইনি বাধা নেই।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট কুতুব উদ্দিনকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন, যা কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। এই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না, তা কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন