ভারতীয় ওই নাগরিকের নাম গোবিন্দ বিশ্বাস (৪০)। তিনি ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ার মতাই গ্রামের সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।

থানা–পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে সরোয়ারুল করিম চৌধুরী, মো. রজুসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন গোবিন্দ বিশ্বাস। ছিনতাই ও মারধরের ঘটনায় মামলার পর পুলিশ সরোয়ারুল করিমকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, ফেনীর পরশুরামে বিলোনিয়ার মুহুরী ঘাট ইমিগ্রেশন সীমান্ত পথে পাসপোর্ট, ভিসা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে আসেন গোবিন্দ বিশ্বাস। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তিনি পরশুরাম যাচ্ছিলেন। পরশুরাম বাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে সরোয়ারুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে চার–পাঁচজন তাঁকে জোর করে অন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখেন। এ সময় তাঁকে মারধর করা হয়। এরপর সঙ্গে থাকা বাংলাদেশি ৭০ হাজার টাকা, ভারতীয় ১০ হাজার রুপিসহ একটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ভারতীয় নাগরিকের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সরোয়রুল করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্তের পাশাপাশি অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন