দেশপ্রেম, আন্তরিকতা, জনগণের আস্থা, বিশ্বাস অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধের কথা মাথায় রেখে বিমানবাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক দেশ যখন দুর্ঘটনা-দুর্বিপাকে পড়ে, আমরা কিন্তু তাদের সহযোগিতা করি। আবার আমাদের দেশে যখন ঝড়, বন্যা বা কোনো রকম দুর্ঘটনা ঘটে, বিমানবাহিনীর সদস্য বা সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্য জনগণের পাশে দাঁড়ান, জনগণের সেবা করেন।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, এটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করা। যেকোনো একটা যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য এটা একান্তভাবে দরকার।

‘বাংলাদেশ সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতিতে বিশ্বাস করে’—জাতির জনকের রেখে যাওয়া এই পররাষ্ট্রনীতির প্রসঙ্গ টানেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তারপরও দক্ষতার দিক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আমাদের সব ধরনের উৎকর্ষ বজায় রেখে চলতে হবে এবং সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলতে হবে। আমরা সব সময় অগ্রাধিকারভাবে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিই।’

সরকারপ্রধান বলেন, দেশ ও দেশমাতৃকার প্রতি এবং দেশের জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। যেটা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ভাষণেও বলেছেন, দেশ ও দেশের জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ, এটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কাজেই আমি আশা করি, আমাদের নবীন যাঁরা আজ থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন, তাঁদের জন্য এই কথা অনেক প্রযোজ্য।’