অপেক্ষা ফুরায় না বাদী-বিবাদীদের 

সিলেটের ৪৩টি আদালতে ৫০ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন। দিনে শতাধিক মামলা আদালতে আসছে। 

জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সিলেট
ছবি: প্রথম আলো

উৎপাদিত রবারের হিসাবে গরমিল দেখিয়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ভাটেরা বাগানের ব্যবস্থাপকদের বিরুদ্ধে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। সেটাও ১৯৯৩ সালের ঘটনা। সাত বছর পর দুর্নীতির অভিযোগে দুজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়। তদন্ত শেষ হতে সময় লেগেছে ১৩ বছর। ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তা মৌলভীবাজারের আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৭ সালের ২১ মার্চ মামলাটি সিলেট বিভাগীয় স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়। এরপর শুরু হয় বিচারকাজ। তবে অভিযোগপত্র দেওয়ার আগেই এক আসামির মৃত্যু হয়। জীবিত আসামি মনসুর আলীর বয়সও ৭০ পেরিয়েছে।

মনসুরের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায়। প্রতিবার আদালতে হাজিরা দিতে তাঁকে বহুদূর পাড়ি দিয়ে সিলেটে আসতে হয়। যাতায়াতে গড়ে তাঁর তিন দিন লাগে। আইনজীবীর ফি বাদে প্রতিবারই তাঁর কয়েক হাজার টাকা খরচ হয়। টাকা বাঁচাতে প্রায়ই তিনি ট্রাকে করে সিলেটে আসেন। বয়সের কারণে এখন শরীর ও মন সায় দেয় না। তবু অভিযোগ থেকে রেহাই পাওয়ার আশায় নির্দিষ্ট তারিখে তিনি ছুটে আসেন আদালতে। বিচার শুরুর পর এ পর্যন্ত ৩৪ বার তারিখ পড়েছে। চারবার ছাড়া প্রতিবারই তিনি হাজিরা দিয়েছেন বলে জানান তাঁর আইনজীবী প্রবাল চৌধুরী।

আসামি মনসুর বলেন, রবারবাগানের চারজনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনবার বিভাগীয় তদন্ত হয়। তবে কেউ দোষী প্রমাণিত হননি। এরপরও দুর্নীতি দমন ব্যুরো স্বপ্রণোদিত হয়ে ২০০০ সালে মামলা করে। মামলা করার আগেই দুজনের মৃত্যু হওয়ায় কেবল জীবিত দুজনকে আসামি করা হয়। আবার অভিযোগপত্র দাখিলের আগে একজনের মৃত্যু হয়। তিনি নিজেও অসুস্থ। তারপরও ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন তিনি। 

দুদকের আইনজীবী লুৎফুল কিবরিয়া প্রথম আলোকে বলেন, যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আগামী জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মামলার রায় হওয়ার কথা রয়েছে।

কেবল মনসুর নন, তাঁর মতো অনেক বাদী-আসামিই বছরের পর বছর সিলেটের আদালতে ঘুরছেন। সর্বশেষ গত অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মিলিয়ে ৫০ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ফৌজদারি মামলায় প্রতিবেদন দেরিতে আসা, বারবার সময়ের আবেদন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ, সাক্ষীদের হাজির করতে না পারাসহ নানা কারণে মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এতে আদালতের কর্মঘণ্টা অপচয়ের পাশাপাশি বাদী-বিবাদীরা আর্থিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ফৌজদারি মামলার মতোই অবস্থা সম্পত্তি বা পদের অধিকার–সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলারও। সমন জারি ও গ্রহণে দেরি, বারবার সময়ের আবেদন, ওয়ারিশদের পক্ষভুক্তি, আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়া, বারবার আপত্তি দিয়ে সময়ক্ষেপণের কারণে অধিকাংশ দেওয়ানি মামলাও দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. সামছুল হক প্রথম আলোকে বলেন, আইনগত জটিলতা আর কিছু আদালতে বিচারক–সংকটের কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে। এতে বাদী ও বিবাদীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সিলেট জেলা ও মহানগর এলাকায় ১৮টি থানা রয়েছে। আদালত রয়েছেন ৪৩টি। সর্বশেষ গত অক্টোবরে পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, এসব আদালতে ৫০ হাজার ৩৫৯টি মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৫৩৭টি ফৌজদারি ও ২৪ হাজার ৮২২টি দেওয়ানি মামলা। এর মধ্যে ৫ থেকে ১০ বছরের পুরোনো মামলা আছে প্রায় আট হাজার। তুলনামূলক সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা বেশি। এখানে বর্তমানে ৩৯ হাজার ৭৯৬টি মামলা বিচারাধীন।

৪৩টি আদালতে দিনে গড়ে ৭০ থেকে ৭৫টি মামলা হয়। এর বাইরে ১৮ থানায় হয় ৩০ থেকে ৪০টি মামলা। আদালত–থানা মিলিয়ে দিনে শতাধিক নতুন মামলা হয়। 

আইনজীবীরা বলছেন, বিচারকের সংখ্যা কম থাকায় মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে। 

অবশ্য বিচারপ্রার্থী কারও কারও অভিযোগ, সাক্ষী হিসেবে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি এবং সাক্ষীদের আদালতে আসতে যথাসময়ে নোটিশ না পৌঁছানোর কারণেও মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হয়।

২৮ বছরেও শুরু হয়নি যুক্তিতর্ক

স্বত্ব ঘোষণাসহ বাঁটোয়ারা হয়ে নিজ নিজ অংশ পেতে করা একটি মামলা গত ২৮ বছরেও নিষ্পত্তি হয়নি। ১৯৯৪ সালে করা এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ গত অক্টোবরে শেষ হয়েছে। এর মধ্য মামলার ১১ বাদীর মধ্যে ২ জন এবং ৬৮ বিবাদীর মধ্যে ১৬ জন মারা গেছেন।

সিলেট সদর উপজেলার সাদীপুর দ্বিতীয় ‘খ’ মৌজার ছয়টি খতিয়ানের ১ একর ৪ শতক জায়গার স্বত্ব ঘোষণাসহ বাঁটোয়ারা পেতে আবদুল গফুরসহ ১১ জন ১৯৯৪ সালে সিলেটের যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতে মামলা করেন। এতে আবদুল খালিকসহ ৬৮ জনকে বিবাদী করা হয়। মামলাজটসহ নানা কারণে চারটি আদালতে মামলাটি স্থানান্তরিত হয়ে এখন বিচারকাজ চলছে।

দ্রুত বিচারের স্বার্থে ১৯৯৫ সালে সম্পত্তি বাঁটোয়ারার মামলাটি সাব–জজ অর্থঋণ আদালতে স্থানান্তর করা হয়। তবে বিচারকাজ শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট আদালতটি বিলুপ্ত হয়। ২০০৩ সালে মামলাটি সাব–জজ দ্বিতীয় আদালতে স্থানান্তরিত হয়। মামলাজটের কারণে মামলাটি আবার ২০০৬ সালে সাব–জজ তৃতীয় আদালতে বদলি হয়। সেখানে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হলেও আদালতের আর্থিক এখতিয়ার সংশোধিত হওয়ায় ২০১৯ সালে মামলাটি বিশ্বনাথ সহকারী জজ আদালতে স্থানান্তরিত হয়। গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে তদন্তের ওপর সরেজমিনে শুনানি চলায় মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়নি। আগামী ১ জানুয়ারি এ মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য আছে।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বলছেন, মামলাজটের কারণে এটি নিষ্পত্তি হয়নি। পাশাপাশি বাদী-বিবাদীর মৃত্যুর পর ওয়ারিশদের পক্ষ হওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লেগেছে। বাদীপক্ষে একজন আইনজীবী থাকলেও বিবাদীপক্ষের তিনটি অংশে তিনজন আইনজীবী আছেন। বিবাদীপক্ষের একাংশ মামলা নিয়ে তৎপর থাকলেও অন্য অংশ নিশ্চুপ। এতেও সময়ক্ষেপণ হচ্ছে।

বিবাদীপক্ষের আইনজীবী কংকন কুমার রায় বলেন, মামলাজট তো আছেই। কোনো কোনো বিবাদীর অসহযোগিতার কারণেও মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে।

আট বছরেও বিচার শুরু হয়নি

আট বছর আগে ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত হন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএর তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সুমন চন্দ্র দাস। এ ঘটনায় নিহতের মা প্রতিভা দাস জালালাবাদ থানায় অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। প্রায় দুই বছর পর ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দেন। তবে বাদীপক্ষ এতে নারাজি দেন।

নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। এতে ২৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। আসামিদের মধ্যে ১১ জন জামিনে আছেন, বাকিরা পলাতক।

মামলাটি বর্তমানে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে আছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে মালামাল বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দেওয়া হয়েছে। মূলত আসামিরা পলাতক থাকায় মামলার বিচারকাজ শুরু হয়নি। ফলে মামলাটি এখনো আমলি আদালতে আছে।

গতি নেই আলোচিত খুনের বিচারেও

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক হারুন অর রশিদ (৪৫) ২০১০ সালের ২১ মার্চ নগরের চৌহাট্টা এলাকায় বাসার সামনে খুন হন। দুষ্কৃতকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করে। পরদিন নিহতের শ্যালক মো. আল আমিন সরকার কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। প্রায় এক বছর পর আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে নারাজি দেন নিহতের স্ত্রী আফরোজা আক্তার। এ অবস্থায় আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। আরও এক বছর পর সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দিলে আবার নারাজি দেন আফরোজা। আদালত তা নামঞ্জুর করলে আফরোজা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন আবেদন করেন। এরই মধ্যে মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠিত হলে রিভিশন মামলার নম্বর পরিবর্তন হয়। রিভিশন মামলা চলাকালে খুনের মূল মামলা মুলতবি থাকে।

রিভিশন মামলার আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়। তবে পাঁচ থেকে ছয় মাস পরপর মামলার একেকটা তারিখ পড়ায় বিচার বিলম্বিত হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁরা ঢাকায় থাকেন। প্রতিবার মামলার তারিখে অনেক ভোগান্তি পেরিয়ে তাঁদের সিলেটে আসতে হয়।

আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার মোট আসামি ছিলেন ছয়জন। এর মধ্যে অভিযোগপত্রে একজনকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি আসামিদের চারজন জামিনে আছেন, মূল আসামি আবদুল লতিফ ওরফে কাওসার পলাতক। এ মামলায় মোট ১১৫ সাক্ষীর মধ্যে পাঁচজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী আফরোজা বলেন, ‘মামলার তদন্ত যথাযথ হয়নি। তাই দুবার নারাজি দিয়েছি। এ ছাড়া রিভিশন নিষ্পত্তিতে অনেক দেরি হয়েছে। দ্রুত সাক্ষ্য নিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করা হোক, এটাই চাই।’

সাক্ষী নেই, ঝুলে আছে মামলা

২০১১ সালে সিলেট নগরের জিন্দাবাজারে ছাত্রলীগ নেতা আল মামুন হত্যা, ২০১২ সালে সিলেট নগরের শিবগঞ্জে প্রকৌশলী সজীব হত্যা, ২০১৮ সালে সিলেটের বাগবাড়িতে সোহাগ মিয়া হত্যা মামলাসহ অর্ধশতাধিক আলোচিত মামলা সাক্ষীর অভাবে ঝুলে আছে।

মামুন হত্যা মামলার বাদী এবং সজীব ও সোহাগ হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রবাল চৌধুরী বলেন, তিনটি মামলায় মাত্র একজন থেকে তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত হওয়া সত্ত্বেও কেবল সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারায় এসব মামলা ঝুলে আছে।

সরকারি কৌঁসুলিরা যা বলেন

সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একটি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল এবং একটি নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। ফলে দুটি ট্রাইব্যুনালেই মামলাজট বেশি। জরুরি ভিত্তিতে এসব ট্রাইব্যুনাল বাড়ানো উচিত।

দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তিতে অনেক সময় লাগছে বলে মন্তব্য করেন সিলেট জেলা গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) মো. রাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, সিলেটে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মাত্র একটি। এতে মামলাজট হচ্ছে। নেই কোনো আপিল ট্রাইব্যুনাল। আছে বিচারক–সংকট। অনেক ক্ষেত্রে একেকটা মামলার তারিখ ছয় থেকে আট মাস পর পড়ছে। ফলে বিচার বিলম্বিত হচ্ছে।

করণীয় কী

সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিচারকের তুলনায় অতিরিক্ত মামলা, ত্রুটিপূর্ণ মামলা দায়ের, অকারণে সময় চাওয়া, সমন জারি ও নতুনভাবে পক্ষভুক্তি ইত্যাদি কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা হয়। পক্ষগুলোর কারও কারও যথাসময়ে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণে ইচ্ছাকৃত সময়ক্ষেপণের কারণেও মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হয়।

এমাদ উল্লাহ আরও বলেন, মামলার বিচারকাজ দ্রুত করতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি সহজ করতে হবে। বিচারকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে আদালতের কার্যক্রম চালানো এবং আইনজীবী ও পক্ষগণ আন্তরিক হলে মামলা আরও কম সময়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব।