শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবগুলো হলো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্থানীয় প্রতিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া; সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নিয়ামকগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জলবায়ু সুবিচার নিশ্চিত করা; জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সব উদ্যোগে নারীর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের দিকে মনোযোগ দেওয়া; ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বনভূমি ও বৃক্ষ সংরক্ষণ; জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সব পরিকল্পনায় স্থানীয় জ্ঞানের ব্যবহার ও ভুক্তভোগী সংজ্ঞায়নে স্থানীয় চিহ্নিতকরণ; মৌলিক মানবাধিকারের মতো মৌলিক জলবায়ু-অধিকার প্রণয়ন; জলবায়ু শরণার্থী ও গণহত্যার মতো প্রতিবেশের পরিকল্পিত ধ্বংসকে ‘ইকোসাইড’ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া; জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক তথ্য, পরিসংখ্যান ও জরিপের ফলাফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দূষণকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও সরকারকে শক্তিশালী করা।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফর ক্লাইমেট অ্যাকশনের সমাবেশে বক্তব্য দেন প্ল্যাটফর্মটির আহ্বায়ক ইসতিয়াক নূর মুহিত, শিক্ষার্থী ফেরদৌস সিদ্দিক সায়মন, রাফিয়া রেহনুমা প্রমুখ। পরিবেশ অধিদপ্তর, কপ-২৭, জাতিসংঘ জলবায়ু তহবিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ৯ দফা প্রস্তাবের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তাঁরা।