আইন পেশাকে সেবা হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনাদের (আইনজীবী) কাছে সব সময় মক্কেল আসেন। মক্কেলের মুখের দিকে তাকালে আপনারা বুঝতে পারবেন, তাঁদের কষ্টটা। তাঁরা কোত্থেকে কীভাবে পয়সা সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন। তাঁদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা, খাওয়াদাওয়ার উদ্দেশ্যে পয়সা সংগ্রহ করেন। সেই পয়সা আপনাদের প্রদান করেন। সেই পয়সা দিয়ে মোকদ্দমা করেন। ওঁদের মুখের দিকে তাকিয়ে যদি আমরা নিয়ত করি, প্রতি সপ্তাহে এক দিন বা প্রতি মাসে এক দিন আমরা কিছু কেস করে দেব বিনা পয়সায় বা মুখ দেখে মনে হলো এর পয়সা অত্যন্ত কষ্টে আহরিত, আমরা নিলাম না। না নিয়ে তাঁদের মোকদ্দমা করলাম। এটা খুব একটা কষ্টের ব্যাপার না।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘আমরা ছিলাম কুমিল্লার। এ কারণে তাঁর (বাসেত মজুমদার) সঙ্গে অনেক ঘনিষ্ঠতা ছিল। আমি বাসেত মজুমদারকে দুলাভাই বলে ডাকতাম। আমার এত বড় শুভাকাঙ্ক্ষী সুপ্রিম কোর্টে বাসেত মুজমদারের পরে আর কেউ ছিল বলে জানি না।’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজউদ্দিন ফকির বলেন, বাসেত মজুমদার কখনো মানুষকে ধিক্কার দিয়ে, অপমান করে কথা বলতেন না। তিনি নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন সব মানুষের জন্য।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার আইনজীবী জমির উদ্দিন সরকার, আপিল বিভাগের বিচারপতি নুরুজ্জামান, আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম প্রমুখ।