উপদেষ্টা বলেছিলেন, ‘আমাদের ধারণা, এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি হবে। এতে দিনে এক থেকে দেড় ঘণ্টা এবং কোনো কোনো জায়গায় দুই ঘণ্টাও লোডশেডিং হতে পারে।’ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে উপদেষ্টা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করলেও আজ দেওয়া পোস্টে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়ে যাবে এবং একই সাথে ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হলে ৪ হাজারের বেশি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।’

দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন কমায় চাহিদার সঙ্গে ঘাটতির ব্যবধান বাড়ছে। গত বুধবার বৃষ্টির কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ছিল। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে হিমশিম অবস্থায় পড়তে হয়েছে বিতরণ সংস্থাগুলোকে। এলাকাভিত্তিক এক ঘণ্টার লোডশেডিংয়ের ঘোষণা দিলেও গড়ে দুই ঘণ্টার বেশি হচ্ছে সারা দেশে।

বিশেষ করে ঢাকার বাইরে কোথাও কোথাও ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে।
নসরুল হামিদ আজ বলেন, ‘আমরা সব সময় বলে আসছি, বর্তমান সংকট সাময়িক সময়ের জন্য। এই সমস্যা খুব বেশি দিন থাকবে না। তবু বর্তমান বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য সম্মানিত গ্রাহকদের কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং সবার সহযোগিতাও কামনা করি।’

সোমবারের বৈঠকের পর জানানো হয়, সাত দিন এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং করে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজ সেই কথার পুনরাবৃত্তি করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সংকট সমাধানে আমরা সারা দেশে শিডিউলভিত্তিক লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছি।

তবে এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করে লোডশেডিংয়ের বিষয়ে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হবে।’
পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে আপনাদের সকলের সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন