রাশিদা আক্তারের স্বামী মিজানুর রহমান বলেন, ঋণের টাকার মাসিক কিস্তি পরিশোধ নিয়ে বাবার সঙ্গে অভিমান করে রাশিদা আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বলেন, রাশিদার বাবা আবদুর রাজ্জাকের মশার কয়েল ও তেলাপোকা নিধনের ওষুধ তৈরির কারখানা রয়েছে। ব্যবসায়িক মন্দার কারণে তিনি স্থানীয় একটি সমিতি থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। রাশিদা এই ঋণ পাইয়ে দিতে সহায়তা করেছিলেন। কিন্তু রাশিদার বাবা ওই টাকা পরিশোধ করতে পারছিলেন না।

মিজানুর রহমান বলেন, ঋণের টাকার মাসিক কিস্তির জন্য মঙ্গলবার সকালে সমিতির এক নারী কর্মী বাসায় এসেছিলেন। রাশিদার বাবা কোনো টাকা পরিশোধ করতে পারেননি। সমিতির ওই কর্মী রাশিদাকে চাপ দেন। এ নিয়ে বাবার সঙ্গে অভিমান করে সন্ধ্যায় ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে পড়েন রাশিদা। তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মিজানুর রহমান জানান, মাতুয়াইলের লতিফ ভূঁইয়া কলেজের পাশে একটি বাসায় তাঁরা ভাড়া থাকেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে। রাশিদার বাবাও তাদের সঙ্গেই থাকেন।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অভাব-অনটনের কারণে পারিবারিক কলহের জেরে রাশিদা আক্তার সন্ধ্যায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন