মঙ্গলবার বিকেলে কাউন্সিলের বাসায় বেড়াতে যান তাঁদের এক নিকটাত্মীয়। সন্ধ্যার পর থেকে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে একটি মশা মারতে সক্ষম হন। পরে ওই মশার ছবি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুকের কাছে পাঠানো হয়। তিনি নিশ্চিত করেন, সেটি এডিস মশা।

বাসায় ‘এডিস মশা’ পাওয়ার কথা জানিয়ে কাউন্সিলর শাহানূর বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মশা নিয়ে খুব যন্ত্রণায় আছি। এত মশা বেড়েছে কাজ করতে কষ্ট হয়। পরিচ্ছন্নতা বিভাগের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মশার ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা করব।’

শাহানূর বেগমের স্বামী জয়নাল আবেদীন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাঁরা দায়িত্বে থাকার সময় নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো হতো। এখন তা হয় না। সিটি করপোরেশন কথায় আছে, কাজে নেই। এতবার করা বলা হয়েছে মশার উপদ্রবের কথা। কিন্তু কারও কোনো মাথা ব্যথা নেই। সিটি করপোরেশন মশার ওষুধ কখন ছিটানো হয়েছে তা কেউ বলতে পারেন না।

গত বৃহস্পতিবার সিটি করপোরেশন আয়োজিত এক সভায় মেয়র মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, মশা নিয়ে তিনি নিজেই অস্বস্তিতে আছেন। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। সবাই সতর্ক ও সচেতন না হলে ওষুধ ছিটিয়েও মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

ওই দিন বিকেলে ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন রেজাউল করিম চৌধুরী। নগরের টাইগারপাসে সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।