চট্টগ্রাম জেলা সরকারি কৌঁসুলি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, দুই পক্ষের সম্মতিতে আসামি ও ভুক্তভোগীর বিয়ে হয় আদালতের বারান্দায়। বিয়েতে কাবিন ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। উশুল পাঁচ লাখ টাকা। ভুক্তভোগী নিজেই আদালতে জবানবন্দিতে বলেছে, তাদের তিন বছরের সম্পর্ক ছিল। বিয়ে করার জন্য তারা স্বেচ্ছায় চলে গিয়েছিল। তার আগেই পুলিশ তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

অভিযুক্ত যুবকের আইনজীবী আদালতকে লিখিতভাবে জানান, বাদী ও অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বজনেরা দুজনের বিয়েতে সম্মত হয়েছেন। আদালত রোববার অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারা পরোয়ানামূলে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। আদালতের বাইরে অভিযুক্ত ও বাদীর পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে কাজির মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞা বাদীর জিম্মায় অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১১ এপ্রিল দুপুরে বাঁশখালীর একটি স্কুলের ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যান এক যুবক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় তাঁর মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ঘটনার দুই দিন পর ওই ছাত্রীকে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করে। এরপর ভুক্তভোগীকে আদালতে হাজির করলে সে জবানবন্দিতে অপহরণ হয়নি বলে উল্লেখ করে। আদালত ভুক্তভোগীকে নিজ মায়ের জিম্মায় দেন। এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠনো হয়। এর পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি কারাগারে ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন