আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ প্রথম আলোকে বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি নীলু আক্তার ছাড়া বাকি তিন আসামি উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর নগরের ডবলমুরিং থানার সিডিএ আবাসিক এলাকার ব্যাংক কলোনির উত্তর গেট থেকে হাত–পা বাঁধা অবস্থায় জালাল উদ্দীনের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে ইমাজ উদ্দিন বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন। পরের বছরের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর তৎকালীন পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি কামাল নিহত জালালের পূর্বপরিচিত। জালালের বাসায় ভাড়া থাকতেন কামাল। ঘটনার দিন জালালকে ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে যান কামাল। পরে এক নারী আসামিসহ আটকে রেখে জালালের কাছে টাকা দাবি করা হয়। জালাল টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু আটকে রাখার বিষয়টি কাউকে বলে দিতে পারেন, এ ভয়ে কামালের নির্দেশে আসামিরা জালালকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন।

২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন