আদালতে এনামুল বাছিরের পক্ষে আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী ও দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান শুনানিতে ছিলেন।

পরে আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, এর আগে হাইকোর্টের অপর একটি একক বেঞ্চ এনামুল বাছিরকে জামিন দেন। তবে নথিগত ত্রুটির কারণে গত ২৮ আগস্ট তা প্রত্যাহার করে নেন। এ অবস্থায় জামিন আবেদন শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত আবেদন করা হয়। প্রধান বিচারপতি এ বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য পাঠান। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বাছিরকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন। ফলে তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

অবশ্য দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, জামিনাদেশের বিষয়টি দুদককে অবহিত করা হয়েছে। জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না, সে বিষয়ে দুদক সিদ্ধান্ত নেবে।

দুদকের মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে তৎকালীন ডিআইজি মিজানুরের কাছ থেকে বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়। অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুজনের বিরুদ্ধেই মামলা করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাছির কমিশনের দায়িত্বে থাকাকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তিনি মিজানুরকে অবৈধ সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।