এদিকে মোয়াজের বিন আলমের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানায় তাঁর বাবা রেজাউল আলম বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। পরিবার হত্যা মামলা করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।

নাসির মজুমদার বলেন, মোয়াজের বিন আলমের শরীরে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন আছে। তা ছাড়া গাজীপুর বা পঞ্চগড়ে তাঁদের কোনো আত্মীয়স্বজন নেই। মোয়াজের এক বন্ধুর সঙ্গে যাচ্ছেন বলে বাসায় জানিয়েছিলেন। তাঁরা অবশ্য মোয়াজেরের ওই দুই বন্ধুর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা বলেছেন, মোয়াজেরের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়নি।

মামলাটির তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। ঢাকা জেলা নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার খন্দকার ফরিদুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে না পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে মোয়াজেরের সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে উল্লেখযোগ্য কোনো আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা নেই।

গাজীপুরের ইসলামপুরে নদের ধারে মোয়াজেরের মুঠোফোন, পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। পুলিশ সেগুলো জব্দ করেছে। উদ্ধারের সময় মুঠোফোনটি বন্ধ ছিল। পুলিশ মুঠোফোনের কললিস্ট চেয়েছে। খোঁজখবরও চলছে বলে জানিয়েছে।

অবশ্য পুলিশ বলছে, পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বলা হয়েছিল—মোয়াজের ফোনে মাকে বলেছিলেন, তিনি পঞ্চগড়ে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। এর পর থেকেই তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে মোয়াজেরের বাবা ভাটারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাবের) কাছেও গিয়েছিলেন বলে পরিবার বলছে। এরপর সোমবার সকালে তুরাগ নদ থেকে মোয়াজেরের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ ফাঁড়ি পুলিশ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন