মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের জন্য পৃথক বাসভবন নির্মাণ করার বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিষয়টি ওভাবে আসেনি। বলা হয়েছে, মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বাড়িটা যেন এয়ারমার্কড (নির্দিষ্ট) করে দেওয়া হয়। কারণ, তাঁদের বাড়িতেও অফিস আছে।  

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গণপূর্ত বিভাগ ধীরে ধীরে মিন্টো রোডের বাড়িগুলো ভেঙে ফেলার চিন্তাভাবনা করছে। কারণ, এসব বাড়ি অনেক আগে নির্মিত। এটা মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের জন্য বাড়ি নির্মাণের বিষয় নয়। ১৯৪০-১৯৪৫ সালে নির্মিত হওয়ায় এসব বাড়ির পর্যায়ক্রমে নতুন করে নির্মাণ করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের বাড়িতে সুইমিংপুলের পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সুইমিংপুল নির্মাণের বিষয়টি নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি করতেই হয়, তাহলে সেখানে (মিন্টো রোড এলাকায়) যে কয়েক শ বাড়ি আছে, সব বাড়ির জন্য একটি সুইমিংপুল করা যায় কি না, দেখতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের বাড়ির বিষয়টি আজকের জন্য না। এটা দেখা যাবে বাড়ি নির্মাণে আরও তিন থেকে পাঁচ বছর লাগবে। আর এটি আলোচনায় আসছে আরও তিন বছর আগে, সেটাও আলাদাভাবে কারও বাড়ি করার জন্য না। এমনকি ইস্কাটন গার্ডেন অফিসার্স কোয়ার্টারে যে ছয়টি বড় ভবন আছে, সেগুলো ভাঙারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো ভেঙে বহুতল ভবন করা হবে। এগুলো সেই ১৯৫০ সালের সময়ের বাড়ি।