গত শনিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের খরমপট্টির মেডিক্স কোচিং সেন্টার থেকে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রভাষক কাওসারকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি কোচিং সেন্টারটি পরিচালনার সঙ্গেও যুক্ত।

অধ্যক্ষ নৌশাদ খান বলেন, ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ রোববার রাত ১০টার দিকে তাঁকে ফোন করে জানিয়েছেন, চিকিৎসক কাওসার তাঁদের হেফাজতে আছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কাওসারের বাবার সঙ্গেও ডিবি কথা বলেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন নজরদারির পর চিকিৎসক কাওসারের বিরুদ্ধে অনেকটা জোরালো জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাঁকে তুলে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে কাওসারের বাবা মির্জা আবদুল হাকিমের‬ মুঠোফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। তবে রোববার বিকেলে শহরের খরমপট্টি এলাকায় তাঁদের বাসায় গেলে তিনি বলেছিলেন, তাঁর একমাত্র ছেলে কাওসার কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন।

এদিকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জাকির হোসেন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় কোনো কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি স্ত্রী ও এক সহকর্মীর মুঠোফানে খুদে বার্তা পাঠিয়েছিলেন।

জানতে চাইলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. হেলালউদ্দিন ভূঁইয়া গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাবের সহযোগিতায় আমরা কাজ করছি। আশা করছি, দ্রুত এ–সংক্রান্ত কোনো খবর দেওয়া সম্ভব হবে।’