প্রথম আলোর ইতিহাস এবং প্রতিকূলতার মুখে দৃঢ়তার গল্প তুলে ধরেছে ‘আলো’

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ও তাঁর স্ত্রী প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবনে আয়োজিত শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ ঘুরে দেখেন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। প্রদর্শনী ঘুরে দেখার এই ছবি এক্সে শেয়ার করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূতছবি: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের এক্স পোস্ট থেকে নেওয়া

প্রথম আলো ভবনে আয়োজিত শিল্পায়োজন ‘আলো’ প্রথম আলোর ইতিহাস এবং প্রতিকূলতার মুখে তার দৃঢ়তার গল্প তুলে ধরেছে বলে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

সম্প্রতি প্রথম আলো আয়োজিত ‘আলো’ প্রদর্শনী দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেছেন। আজ রোববার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত তাঁর এক্স হ্যান্ডলে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ফেসবুকে তাঁর এই প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে।

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ প্রথম আলো ভবনে আয়োজন করা হয়েছিল ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত ভবনটিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি এ প্রদর্শনী শুরু হয়। এতে স্থান পায় হামলার বর্বরতার চিত্র ও সহিংসতার ক্ষতচিহ্ন। প্রদর্শনীটি শেষ হয় ২ মার্চ। এই প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন রাজনীতিক, বিশিষ্টজন, শিল্পী–সাহিত্যিক, কূটনীতিক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষেরা। ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই প্রদর্শনী দেখে যান মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট

এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আজ ক্রিস্টেনসেন লিখেছেন, প্রথম আলো ভবনে শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের চমৎকার শিল্পায়োজন ‘আলো’ দেখার অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। পুড়ে যাওয়া অফিসগুলোকেই তিনি এমন এক শিল্পকর্মে রূপ দিয়েছেন, যা পত্রিকাটির ইতিহাস এবং প্রতিকূলতার মুখে তার দৃঢ়তার গল্প তুলে ধরেছে।