ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মেজবাহউদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কারাগারে নেওয়া আসামিরা হলেন দীপ্ত টিভির পরিচালক কাজী জাহিন হাসান ও রাবেত হাসান এবং চিফ অপারেটিং অফিসার কাজী উরফী আহমদ।

২০১৬ সালের মার্চে সাবেক প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান সানোয়ারা পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারির ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ তিন কর্মকর্তা বাদী হয়ে দীপ্ত টিভির কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেছিলেন। আইনজীবী মেজবাহউদ্দিন চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামের চকবাজার ও চান্দগাঁও থানায় করা মামলাগুলোর অভিযোগ অভিন্ন। তিনটি মামলাই এখনো তদন্তাধীন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, দীপ্ত টেলিভিশন ২০১৬ সালের ১৬ মার্চ মন্ত্রী ও তাঁর ছেলে মুজিবুর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে। সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মন্ত্রীর ছেলের ইন্ধনে জেলার চন্দনাইশে কাজী ফার্মসের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। অথচ ঘটনার সঙ্গে তাঁরা জড়িত নন।

তিনটি মামলায়ই এই চারজনের সঙ্গে দীপ্ত টিভির বার্তা সম্পাদক, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, জাহেদুল হাসানসহ চার আসামি হাইকোর্টের নির্দেশে গত বুধবার এই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। মামলার নথি নিম্ন আদালতে থাকায় ট্রাইব্যুনাল আজ শুনানির দিন রাখেন। সে মোতাবেক আজ সকালে আদালতে হাজির হয়েছিলেন চারজন।

আদালত প্রথমে জামিন নামঞ্জুর করলে চার আসামিকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের জামিন আবেদন পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়। বিকেল চারটার দিকে শুনানি শেষে আদালত অসুস্থতা বিবেচনায় কাজী জাহেদুল হাসানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বাকি তিনজনের জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন রেখেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন