ব্রিফিংয়ে নেড প্রাইসের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে বিএনপি বাড়াবাড়ি করলে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হবে। যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানাবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে নেড প্রাইস বলেন, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কসহ পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গেই তারা নিয়মিতভাবে বিষয়গুলো আলোচনা তুলে থাকে। তারা বিষয়গুলো যেমন ব্রিফিং রুম থেকে প্রকাশ্যে বলে, তেমনি ব্যক্তিগত আলোচনায়ও নিয়ে আসে। এটা করার মধ্য দিয়ে তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সব বাংলাদেশির স্বার্থে আইনের শাসন, মানবাধিকারের সুরক্ষা ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান।

নেড প্রাইস বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। আমরা আশা করি, নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে জনগণ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাদের সরকার বেছে নিতে পারবেন। এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এই লক্ষ্যের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, তাই বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সব জনগণের জন্য কোনো রকম ভয়ভীতি-দমন ছাড়া শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।