default-image

এ নিয়ে জাহিদুল হত্যা মামলায় ‘শুটার’ মাসুম ওরফে মোহাম্মদ আকাশ ও হত্যাকাণ্ডের ‘অন্যতম পরিকল্পনাকারী’ সুমন শিকদার ওরফে মুসাসহ এ পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার এ হত্যা মামলায় মাহাবুবুর রহমান (টিটু), জুবের আলম খান (রবিন), আরিফুর রহমান (সোহেল) ও খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গত ২৪ মার্চ শাহজাহানপুরে এলোপাতাড়ি গুলিতে জাহিদুল ইসলাম নিহত হন। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিনও মারা যান।

মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে জাহিদুলকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে দেশ থেকে পালিয়ে যান সুমন শিকদার। গত ৯ জুন ওমান থেকে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনে পুলিশ। পরে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাষ্য, তিন থেকে চার মাস আগে জাহিদুল হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিকাশ-প্রকাশ গ্রুপের অন্যতম খুনি সুমন শিকদারের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকার চুক্তি করেন মতিঝিল ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক। এর মধ্যে প্রথমে সুমন শিকদারকে ৯ লাখ টাকা দেন তিনি। গত ১২ মার্চ টাকা নিয়ে দুবাই চলে যান সুমন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন