এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন
সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান
দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ ও পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিত অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। এসব অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে দ্রুত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
আজ বুধবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানায় সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের এই সংগঠন। পর গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, বাংলাদেশ যখন জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট (সবার আগে বাংলাদেশ)’ নীতিতে পররাষ্ট্রনীতিকে আরও সুদৃঢ় করার পথে এগোচ্ছে এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে, ঠিক সেই সময় ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানো হচ্ছে।
সংগঠনটির অভিযোগ, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম, যুদ্ধবিমান ক্রয় ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ সামনে আসার পর থেকেই একটি গোষ্ঠী বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
বিমানবাহিনী প্রধানের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, বাহিনীর সঙ্গে চরমপন্থার মতো স্পর্শকাতর বিষয় জড়ানোর চেষ্টা এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টির চেষ্টাকে দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
সংগঠনটির অভিযোগ, সাবেক প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলামকে নিয়েও কিছু অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে তারা।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, গুজব ও বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।