নিষেধাজ্ঞায় ভালো ফল পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইয়াহিয়া মাহমুদ। তিনি বলেন, এ বছর ৮৪ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছেড়েছে। এর মধ্যে ৫২ শতাংশ সম্পূর্ণ ডিম ছেড়েছে। ৩২ শতাংশ মাছ ডিম ছাড়ারত ছিল।

ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের কারণেই  এ ফল পাওয়া গেছে।

দীর্ঘকাল থেকেই আশ্বিন মাসের পূর্ণিমার সময় ১১ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা হতো। তবে পরবর্তীকালে এর সঙ্গে অমাবস্যা যুক্ত হয়। তাতে ২১ থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা হয়। এতে গত ১০ বছরে ভালো ফলও পাওয়া গেছে বলছে, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

দেশে প্রতিবছর ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে দুই লাখ মেট্রিক টনের বেশি।
২০১১-১২ সালে দেশে ইলিশের উৎপাদন হয়েছিল ৩ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন। আর সর্বশেষ ২০২০-২১ বছরে উৎপাদিত হয়েছে ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন।

ইলিশসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সরকারের নেওয়া বিশেষ কর্মসূচিগুলো এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে ধরা হয়।

এ ছাড়া ইলিশের ডিম ছাড়ার হার অর্থাৎ প্রজননসফলতা বাড়ছে। মৌসুমের শেষে এই অক্টোবর মাসেই এ হার দেখা হয়। গত বছরের প্রজননসফলতার হার ছিল শতকরা ৫১ দশমিক ৭৬। আগের বছর এ হার ছিল শতকরা ৫১ দশমিক ২। এ বছর এ হার ৫২ শতাংশ।

ইলিশগবেষক আনিছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ভালো ফল পাওয়া গেছে। এখন দরকার এর রক্ষণাবেক্ষণ। আমরা দেখছি ইলিশের উৎপাদন শুধু বাড়ছে না,  ২০১৩-১৪ সালের পর থেকে ইলিশের আকার বড় হয়ে আসছে। আবার শুধু ইলিশ নয়, অন্যান্য মাছের উৎপাদনও বাড়ছে।