শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহীর ওই ঘটনা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই অভিযোগগুলো উত্থাপন হওয়া বিব্রতকর। তবে যদি কোনো সংসদ সদস্য এ ধরনের কাজে যুক্ত থাকেন, সে ক্ষেত্রে সেই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আমরা মন্ত্রণালয় সরাসরি কোনো কিছু করতে পারি না। যেটি করতে পারি, সেটি হলো জাতীয় সংসদের স্পিকারের শরণাপন্ন হতে পারি। তাঁর কাছে একটি সমাধান চাইতে পারি। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনে সেই পথ অনুসরণ করব।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সমাজে শিক্ষকের একটি অনন্য মর্যাদার জায়গা আছে। আমরা সেই অনন্য মর্যাদার জায়গাটিতেই আমাদের শিক্ষকদের দেখতে চাই। আমরা চাই না কোনো জায়গায় কোনোভাবে শিক্ষকের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হোক। আমরা চাই না তিনি কোথাও নিগ্রহের শিকার হন। যেখানে ঘটনা ঘটছে, সেখানেই তদন্ত হচ্ছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ফরহাদুল ইসলাম, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন