জুলাই অভ্যুত্থানে ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’ বোরের গুলির ব্যবহার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী ৭.৬২ মিলিমিটার বা ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’ বোরের গুলির ব্যবহার নিয়ে যে আলোচনা হয়, তার জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, পুলিশের ‘টাইপ ফিফটি সিক্স’ বা যেটিকে চায়নিজ রাইফেল বলা হয়, এটার বুলেটই ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এ কথা বলেন। প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের এ-সংক্রান্ত একটি বক্তব্য ঘিরে আলোচনা হয়েছিল।
এই বুলেট ব্যবহার নিয়ে যে আলোচনা আছে সেটার কোনো তদন্ত করা হবে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন একজন সাংবাদিক। জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বুলেট নিয়ে অনেক কথাবার্তা আমরা বলছি।...অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা বলেছিলেন। আমি অবাক হয়েছি, উনি কেন অবাক হয়েছিলেন সেটা দেখে। আপনারা দেখবেন পুলিশের হাতে যে অস্ত্র থাকে, এর মধ্যে “টাইপ ফিফটি সিক্স” একটা রাইফেল, আমরা চায়নিজ রাইফেল বলি এটাকে।...এটার বুলেটই সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু। এটার জন্য স্নাইপার হতে হবে, মানে কোত্থেকে যেন অদ্ভুত সব কথা আসছে!’
এই বুলেট পুলিশের হাতে যাওয়ারই কথা ছিল না মন্তব্য করে জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশের হাতে শটগান থাকবে আর লেথাল উইপন হিসেবে থাকবে পিস্তল, যেটা শর্ট রেঞ্জের। টাইপ ফিফটি সিক্সের প্রবলেম কী? এটার রেঞ্জ অনেক লম্বা। চার শ মিটার, পাঁচ শ মিটার পর্যন্ত এটার লেথাল রেঞ্জ থাকে। গুলি যখন মিস হয়, সেটা বহু দূরের মানুষকে হত্যা করতে পারে।
তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ বিষয়ে আরও বলেন, ‘স্পেশাল পুলিশের হাতে এ ধরনের অস্ত্র থাকতে পারে। কিন্তু সাধারণ পুলিশের হাতে এ অস্ত্র থাকে না।...এটা একসময় সেনাবাহিনীর হাতে ছিল। পরে সেনাবাহিনী পুরোপুরি অটোমেটিক অস্ত্র যখন ব্যবহার শুরু করল, ...সেটাই সম্ভবত বিজিবির কাছে, শেষে পুলিশের কাছে আসল। ওই অস্ত্র হরদম পুলিশ ব্যবহার করেছে। ওটারই বুলেট সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু।’