মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই এক ছাত্রীর নিপীড়নের শিকার হওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক অপরাধ আর হতে পারে না। দ্রুত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় উপাচার্যসহ প্রক্টরদের পদত্যাগ করতে হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের প্রভাবের কারণে অন্য কোনো ছাত্র সংগঠন তাঁদের রাজনৈতিক চর্চা করতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ক্যাম্পাসে সব রাজনৈতিক সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিনের সভাপতিত্বে ও জ্যেষ্ঠ যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মামুন উর রশিদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি মীর মাসুদ, মনোয়ার হোসেন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আরাফাত খান, দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।

গত রোববার রাত সাড়ে নয়টায় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। নিপীড়নের শিকার ছাত্রীর ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পোশাক ও কথাবার্তা শুনে মনে হয়েছে, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে শনাক্ত করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন