আদালতে সাহেদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক ও দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।

পরে আইনজীবী মাসুদ উল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই বছরেও মামলার তদন্ত শেষ করতে পারেনি দুদক। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলেও সাজা এক থেকে তিন বছর। অথচ সাহেদ দুই বছর ধরে কারাগারে আছেন। ওই একই ঘটনা নিয়ে এনআই অ্যাক্ট ও অর্থঋণ আদালতে পৃথক মামলা হয়েছে। একই ঘটনা নিয়ে একাধিক মামলা হতে পারে না শুনানিতে বলেছি। হাইকোর্ট ওই মামলায় সাহেদকে নিয়মিত জামিন দিয়েছেন। তবে আরও কিছু মামলা থাকায় এখনই তিনি কারামুক্তি পাচ্ছেন না।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে সাহেদকে নিয়মিত জামিন দিয়েছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করবে।

২০২০ সালের ৬ জুলাই উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। হাসপাতাল থেকে জব্দ করা হয় ভুয়া করোনা রিপোর্ট। পরদিন র‍্যাব বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে। একই বছরের ১৫ জুলাই সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। আর ২০১৫ সালে ফারমার্স ব্যাংকের ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একই বছরের ২৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ, ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওই মামলাটি করে দুদক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন