default-image

অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়ার সুবিধা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আগামী বছরের জুলাই থেকে সারা দেশে ভূমি কর দেওয়ার এই সুবিধা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। আজ বুধবার এ সংক্রান্ত পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, অনলাইনভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দেওয়া যাবে। ভূমি কর দেওয়ার এ সুবিধার কারণে দেশের ৩ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। মানুষের ভূমি-সংক্রান্ত হয়রানি কমবে ও ভূমি অফিসের দুর্নীতি বন্ধ হবে। মন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের জুলাই মাস নাগাদ দেশব্যাপী অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা চালু করার ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদী।  

বিজ্ঞাপন

ভূমি মন্ত্রণালয় জানায়, ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার সহ মামলা সম্পর্কিত তিনটি সফটওয়্যারের পাইলটিংয়ের জন্য প্রথম পর্যায়ে ৮টি জেলার ৯টি উপজেলার ৯টি পৌর/ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের অন্তর্গত ১৯টি মৌজা নির্বাচন করা হয়েছে।

এর মধ্যে ৫টি পৌর ভূমি অফিসের অন্তর্গত ১৩টি মৌজা হচ্ছে- চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও দক্ষিণ মতলব উপজেলার মিরপুর, গুদারারচর, নোয়াগাঁও, রুদ্রগাঁও, ভাটিরগাঁও, চরহোগলা, মোবারকদি ও ১৭৬নং ঢাকিরগাঁও মৌজা, মানিকগঞ্জ সদরের বনগ্রাম চক ও গঙ্গাধর পট্টি মৌজা, কিশোরগঞ্জ সদরের করমূলী ও মারিয়া মৌজা এবং জামালপুর সদরের সাতপাকিয়া মৌজা।

চারটি ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের অন্তর্গত ৬টি মৌজা হচ্ছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া মৌজা, ঢাকার সাভার উপজেলার বাগধনিয়া ইউনিয়নের মজিদপুর ও আনন্দপুর মৌজা, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার খাসখামা ইউনিয়নের হাইলধর ও মালঘর মৌজা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ইউনিয়নের 'দেওভোগ ‘ম’ খন্ড' মৌজা।

ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী আজকের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি সংস্কার বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0