বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাড্ডা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল আউয়াল প্রথম আলোকে বলেন, আফতারনগরের নুর টাওয়ারের ১০ তলা থেকে তাঁর (নুর নবী) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অফিসকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর দিয়ে তাঁর গলায় ফাঁস লাগানো ছিল। লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

নুর নবীর ছোট ভাই নুরুল কবির ভূঁইয়া জানান, করোনাকালে আবাসন প্রতিষ্ঠানটি অনেক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। তাঁর ভাই অনেকের কাছে টাকা পেতেন, সেই টাকা পাচ্ছিলেন না। আবার তাঁর কাছে যাঁরা টাকা পেতেন, সেই টাকাও ফেরত দিতে পারছিলেন না। এ কারণে তিনি বেশ হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। আজ সকাল নয়টার দিকে তিনি বাসা থেকে অফিসে যান। এর পর থেকেই ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। পরে অফিসে গিয়ে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

পরিবারের বরাত দিয়ে এএসআই আবদুল আউয়াল বলেন, গত মাসে বাসাভাড়া দিতে পারেননি। ব্যবসা করতে গিয়ে অনেক টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন নুর নবী। এসব নিয়ে অনেক দিন ধরেই তিনি হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। সেই হতাশা থেকে আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছে পরিবার।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, নিহত নুর নবীর বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আবিরপাড়া গ্রামে। তিনি অবিবাহিত ছিলেন। অন্য ভাইদের সঙ্গে আফতাবনগরের একই এলাকার ২ নম্বর রোডের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন