বিজ্ঞাপন

জনসচেতনতা ও জনসম্পৃক্ততা ছাড়া এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, সবাই সচেতন হলে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে না। বৃষ্টি হলে ছাদে, ফুলের টবে, পরিত্যক্ত টায়ার ও টিউবে পানি জমে। এ ছাড়া নির্মাণাধীন বাসাবাড়ি, বেসমেন্ট ও পরিত্যক্ত জায়গায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশা জন্মায়। এসব জায়গায় পানি জমতে না দিলে এডিস মশার প্রজনন ধ্বংস হবে।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিন দিনে এক দিন, জমা পানি ফেলে দিন’।

default-image

তিনি আরও বলেন, রোদের পর বৃষ্টি, বৃষ্টির পর রোদ, এ রকম আবহাওয়া এডিস মশার বংশ বিস্তারে সহায়ক। তাই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। কারণ, একা কারও পক্ষে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায়, বিশেষ করে প্রত্যেকের বাসাবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে, পানি জমতে না দিলে এডিস মশার প্রজনন রোধ করা সম্ভব।

এরপর মন্ত্রী ও মেয়র ঢাকা উত্তর সিটির ৬ নম্বর ওয়ার্ডবাসীকে নিয়ে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রায় অংশ নেন এবং প্রচারপত্র বিতরণ করেন। এ সময় পল্লবী বি ব্লকের ২ নম্বর সড়কের কয়েকটি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার প্রজননস্থল থাকায় ওই বাসাগুলোতে ‘সাবধান, এই বাড়ি বা স্থাপনায় এডিস মশার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে’ এমন লেখা প্রচারপত্রের স্টিকার লাগিয়ে দেন এবং পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

default-image

সচেতনতা কর্মসূচিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, নাট্য অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন