বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘড়ির কাঁটা ১২টায় পৌঁছাতেই টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ ও সামনে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীরা ফানুস ওড়ান। একই সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসিসংলগ্ন ফটক থেকে ছোড়া হয় আতশবাজি। আতশবাজির আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে টিএসসি এলাকা।

default-image

এ সময় শহরজুড়ে আতশবাজি ফোটানো হয়। পুলিশের নির্দেশনায় উন্মুক্ত স্থানে জড়ো হতে না পারলেও নিজেদের ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নগরবাসী।

টিএসসির উদ্‌যাপনে অংশ নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের ছাত্র রবিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুরোনো অপ্রাপ্তি ভুলে নতুন বছরে ভালো কিছুর প্রত্যাশা করি। আশা করি, নতুন বছর আমাদের দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল বয়ে আনবে, সব পঙ্কিলতা ধুয়ে-মুছে যাবে।’

খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নববর্ষ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন তাঁরা।

নতুন বছরে বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। বাণীতে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তবে বিশ্বব্যাপী করোনার নতুন অতি সংক্রামক ধরন ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে সতর্ক থাকার বিকল্প নেই। একজনের আনন্দ যেন অন্যদের বিষাদের কারণ না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নববর্ষ উদ্‌যাপনের আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উন্নত-সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুন বছরে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন জোরদার, সব সংকট দূরীভূত এবং সবার জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন