বিজ্ঞাপন

মিজান আহমেদ কাজ করেন বসুন্ধরা শপিং মলের একটি দোকানে। শ্যামলী থেকে কর্মস্থলে আসতে তিনি বহু কষ্টে গাড়িতে উঠেছেন। কিন্তু যানজটের কারণে কারওয়ান বাজার নয়, বাস থেকে নামতে হয়েছে খামারবাড়ি মোড়ে।

মিজান আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেরি হয়ে যাচ্ছে। এই যানজটে বসে থাকলে কতক্ষণ লাগে, ঠিক নেই। তাই নেমে পড়লাম। রিকশা খুঁজছি যাতে ভেতরের গলি দিয়ে যেতে পারি, কিন্তু খালি রিকশাও নেই।’

একইভাবে মোহাম্মদ আসাদ হেঁটে যাচ্ছিলেন ফার্মগেটের কর্মস্থলে, এসেছেন বছিলা থেকে। বাসে উঠতে গলদঘর্ম হতে হয়েছে তাঁকে, ভুগিয়েছে যানজটও।

মোহাম্মদ আসাদ বলেন, ‘বছিলা থেকে মোহাম্মদপুরে নেমে স্বাধীন পরিবহনে চড়ি। কিন্তু বাসের ওঠার জন্য যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখে চলে এলাম আসাদগেট। সেখানেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে বাসে উঠলাম। কিন্তু একটু আসতেই যানজট। এখন হেঁটেই অফিসে যেতে হচ্ছে।’

মাঝে কয়েক দফা লকডাউনে শুধু জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানা খোলা রাখার কথা বলা হলেও ধীরে ধীরে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই নিজ উদ্যোগে খুলেছে। পরে ‘লকডাউনেই’ গণপরিবহন খুললেও ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে।

এ কারণে রাস্তায় সব গাড়ি থাকলেও কর্মস্থলে যেতে হয়রানি হতে হয়েছে মানুষকে। সে ধারা অব্যাহত আছে এখনো।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন