বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইব্রাহীম মাহমুদ বলেন, দেশে প্রায় ৬–৭ বছর ধরে গ্যাস–সংযোগ দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ গ্যাস অপচয় করা হচ্ছে এবং অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যদি এটি প্রতিকারের ব্যবস্থা করা হয়, তবে আবাসিক সংযোগের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৬ শতাংশ গ্যাস দিলেও দেশে গ্যাসের স্বল্পতা হবে না। গ্রাহকেরা গ্যাস–সংযোগের জন্য সরকারের কোষাগারে চাহিদাপত্র অনুযায়ী অর্থ প্রদান করে বছরের পর বছর গ্যাসের জন্য চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন। বহুতল ভবনগুলো গ্যাসের অভাবে উপযুক্ত টাকায় ভাড়া হচ্ছে না। লোকজন লোনের টাকায় বাড়ি করে দারুণ এক অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

ইব্রাহীম মাহমুদ আরও বলেন, কয়েকবার গ্যাস–সংযোগ চালুর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও পরে অজ্ঞাত কারণে এটি আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের জামানত ফেরত প্রদানের বিষয়ে ও গ্যাস–সংযোগ চালুর জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে একটি রিট মামলা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতি হাইকোর্ট ডিভিশন থেকে রুল প্রদান করা হয়েছে, যা গ্রাহকের সপক্ষে রয়েছে। গাজী ইব্রাহীম মাহমুদ বলেন, বৈধভাবে গ্যাস–সংযোগের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তিতাস গ্যাস গ্রাহক ও ঠিকাদার ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেম পাটোয়ারী।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন