বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে আজ শনিবার এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইনভঙ্গের প্রবণতা যে পর্যন্ত আর কমাতে না পারব, সে পর্যন্ত আমরা নিরাপদ সড়কের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না। সড়কে মৃত্যুঝুঁকি কমাতে হবে। তিনি বলেন, একজন মানুষও যেন সড়কে অকালে না মারা যায়, সেটাই আমাদের চাওয়া। তারপরও দুর্ঘটনা ঘটে। দুঃখজনক যে ক্যানসার, কিডনি জটিলতায় যতজন মারা যায়, তার চেয়ে অধিক মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ সড়ক চাইয়ের ১১১ সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে এক-দুই বছরে তা সম্ভব নয়। এ সুপারিশগুলোকে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি হিসেবে ভাগ করা হলে বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নিসচার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৮ বছর আগে যখন এই আন্দোলন শুরু করি, তখন অনেকেই আমাকে পাগল বলত। বলত, সড়ক দুর্ঘটনায় বউ হারিয়ে লোকটা পাগল হয়ে গেছে। তার পর থেকে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।’ তিনি বলেন, করোনার সময় নিসচা সাধ্যমতো চালকদের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছে। অনেকে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করে। কিন্তু সেটি না করে সেই টাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের পাশে দাঁড়াচ্ছে নিসচা। নিসচার টাস্কফোর্সের ১১১টি সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুসচিব নজরুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার বহু কারণ আছে। এর মধ্যে যেসব কারণ প্রতিরোধযোগ্য, সেই কারণগুলো নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টার কমতি নেই। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করা না গেলে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা কঠিন।

অনুষ্ঠানে বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান ম আ হামিদ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন