বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কীভাবে এ ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানান মন্ত্রী। আসাদুজ্জামান খান বলেন, তিনি (গভর্নর) সাংবাদিকদের মতোই একটি চিঠির কথা বলেছেন। সেই চিঠির উৎপত্তি কোথায়, সেটাও দেখছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয়, পুরোপুরি ভুল–বোঝাবুঝির মাধ্যমে চিঠিটি গেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এ রকমভাবে যাওয়া উচিত হয়নি। এটি একটু দেখে নিই, কোথায় থেকে কী হয়েছে। আমরা এটির ব্যবস্থা করছি। ভবিষ্যতে যেন এ রকম না হয়, সেটা লক্ষ রাখা হবে। এ বিষয়ে সবার সঙ্গে আলাপ করছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মনজুরুল আহসান বুলবুল, ওমর ফারুক, আবদুল জলিল ভূঁইয়া, কুদ্দুস আফ্রাদ, সাজ্জাদ আলম খানসহ কয়েকজন ছিলেন।

কিছুদিন আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি, সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের চারটি সংগঠনের ১১ নেতার ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করা হয়। গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, সরকারের একটি সংস্থার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ তালিকায় থাকা ১১ সাংবাদিক নেতা হলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি (আওয়ামী লীগ সমর্থিত) ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক (বিএনপি সমর্থিত) ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি (বিএনপি সমর্থিত) কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক (আওয়ামী লীগ সমর্থিত) সাজ্জাদ আলম খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) (বিএনপি সমর্থিত) সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের–বিএফইউজে (আওয়ামী লীগ সমর্থিত) সভাপতি মোল্লা জালাল ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মোরসালীন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

এ ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতা–কর্মীরা। প্রথমে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তাঁরা। এর প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন