প্রতিযোগিতার ১১তম আয়োজনে শিক্ষার্থীরা কবিতা আবৃত্তি, নাচ, উপস্থিত বক্তৃতা, গান গাওয়া ও ছবি আঁকা বিভাগে অংশগ্রহণ করেন। ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় গ্রুপ-এ তে প্রথম হয়েছে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের আদিবা আজাদ, গ্রুপ-বি তে চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলের ফারিজা ফাইরোজ এবং গ্রুপ-সি তে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের তাসনিয়া কবির।

আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় এ গ্রুপে সানিডেইল স্কুলের সোহমা অদ্বিতীয়া, বি গ্রুপে বিএফ শাহিন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের সমৃদ্ধ বর্মণ, সি গ্রুপে ডা. খস্তগীর সরকারি গার্লস উচ্চবিদ্যালয়ের শ্রেয়ষী বিশ্বাস প্রথম হয়েছে।

এ ছাড়া সংগীত প্রতিযোগিতায় এ গ্রুপে প্লেপেন স্কুলের ‍সুহা রাইফা, বি গ্রুপে বিএফ শাহিন কলেজের আয়মান আবরার, সি গ্রুপে স্কলাস্টিকার আনাদিল চৌধুরী প্রথম হয়েছে। এই বিভাগে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের এম দেউশিকা মিহিন পেরেরা।

default-image

নাচে এ গ্রুপে গলগথা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের মুবাশ্বিরা মহুয়া এবং বি গ্রুপে স্কলাস্টিকা স্কুলের আফিয়া ইবনাত প্রথম হয়েছেন। উপস্থিত বক্তৃতায় প্রথম হয়েছেন ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের নিসর্গ বিনতে নজরুল।

শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে প্রথম স্থান অধিকারী ৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ৩ হাজার টাকা ও তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ীকে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে মেডেল ও অলিম্পিয়াডের উপহার সামগ্রী রয়েছে। বিজয়ীরা নিজ নিজ স্কুল থেকে তাদের পুরস্কার সংগ্রহ করতে পারবে।

default-image

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলা অলিম্পিয়াডের উপদেষ্টা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৌমিত্র শেখর বলেন, বাংলা ভাষার প্রতি প্রেম, বাংলাকে শুদ্ধ করে জেনে ও জানিয়ে প্রকাশ করতে হবে। এই দিক থেকে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলা ভাষা এবং বাঙালি সংস্কৃতির এ প্রতিযোগিতা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

অলিম্পিয়াডের আয়োজক ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল রোকসানা জারিন বলেন, ‘এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইংরেজি মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সন স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভাষার মাসে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিচর্চায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরাও এখন অনেক অগ্রসর, বাংলা অলিম্পিয়াড এটাই প্রমাণ করে।’

এ বছর অলিম্পিয়াডের সমন্বয়ক ছিলেন কামরুল আহসান। আর বিভিন্ন বিভাগের প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন আবৃত্তিশিল্পী ডালিয়া আহমেদ, নৃত্যশিল্পী লায়লা হাসান, লেখক আনজীর লিটন, সংগীত শিক্ষক কমল খালিদ, ইউনুসুর রহমান প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন