বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা। তিনি বলেন, ডিএনসিসি এলাকায় ৯০টি শৌচাগার নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। কিন্তু শহরে জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। জায়গার ব্যবস্থা করতে কাউন্সিলরদের বলা হয়েছে। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় শৌচাগার নির্মাণ করা হবে। বাংলাদেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত করতে, শিশুদের মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে হবে বলেও তিনি জানান।

default-image

দেশের ৬১ শতাংশ জনগণ এখনো নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের বাইরে আছে জানিয়ে সভার মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬৩টি গণশৌচাগার আছে। দুই সিটি মিলিয়ে আছে প্রায় ১০০টি। এ ছাড়া আরও ১০০টি শৌচাগার নির্মাণাধীন। অথচ ঢাকায় প্রায় ১ হাজার শৌচাগার প্রয়োজন। কারণ, দুই কোটির বেশি জনসংখ্যার এ শহরে প্রতিদিন প্রায় দুই লাখের বেশি মানুষ যাতায়াত করে থাকে।

‘টয়লেটের মূল্যায়ন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সভায় ডিএসকের ওয়াশ প্রকল্পের পরিচালক এম এ হাকিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, ডিএনসিসি অঞ্চল ৪-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদ আলী, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পরিচালক হোসেন ইশরাত আদিব, প্রকল্প ব্যবস্থাপক শিউলী আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন