গতকাল রোববার ছিল পবিত্র ঈদুল আজহা। এর আগে-পরের দুই দিনও ঈদের ছুটি। এই তিন দিন রাজধানীর বাসিন্দাদের বাস, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো গগণপরিবহনে ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। এ ছাড়া পশুর হাটের পিকআপ ভাড়ায়, হাটের হাসিল ঘরে দায়িত্বরতদেরও বখশিশ দিতে হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে রাজধানীতে চলাচলকারী বাসের সংখ্যা হাতে গোনা৷ যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বাসের জন্য৷ বাসে উঠলেও অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। মিরপুর ১ নম্বর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চলাচলকারী তানজিল পরিবহনে সাধারণ সময়ে ভাড়া ৩৫ টাকা। ঈদে যাত্রীদের কাছ থেকে বখশিশের নামে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

তানজিল পরিবহনের যাত্রী আবুল হাশেম বলেন, সাধারণ সময়েই সরকারের ঠিক করে দেওয়া বাস ভাড়া নেয় না৷ ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি ছিল। এখন ঈদের সময় বখশিশ নেওয়া ভাড়া তো দ্বিগুণ পড়ছে।

ফাঁকা ঢাকায় যানজট না থাকলেও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রীদের ৫০ থেকে ১০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মনসুর আলী বলেন, ‘ঈদের সময় পরিবার রেখে ঢাকায় গাড়ি চালাচ্ছি। এ সময় ভাড়ার বাইরে কিছু টাকা বাড়তি আয় হয়।’

আগে ক্রেতার গরু হাঁটিয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরতেন। কয়েক বছর ধরে রাজধানীর হাটগুলোর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে সারি সারি ছোট-বড় পিকআপ। দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়ার বিনিময়ে গরু পিকআপে করে বাড়ি পৌঁছে দেন চালকেরা। গাবতলী গরুর হাট থেকে পিকআপ ভাড়া করার ক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় হাটফেরত ক্রেতাদের।

মনিরুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, গাবতলী থেকে দক্ষিণ পাইকপাড়ার ভাড়া নিয়েছে ২ হাজার টাকা। অন্য সময়ে ৫০০ টাকায় পাওয়া যায়৷ এত টাকা কেন ঈদের বকশিশ, বুঝে আসল না৷ আবার গরু পিকআপে ওঠানো-নামানোর জন্য চালকের সহকারীকে ভাড়ার বাইরেও ২০০ টাকা বকশিশ দিতে হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন