ঈদের দিনও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে

ঈদের দিনে বাস কাউন্টারগুলোয় যাত্রীদের ভিড়। গাবতলী, ঢাকা, ২১ জুলাই।
ছবি: প্রথম আলো

ছুটি না পেয়ে, যানবাহন না পেয়ে, ভোগান্তি এড়াতে নানা কারণে ঈদের আগে ঢাকা ছাড়তে পারেননি অনেকে। তাই পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই আজ ঈদুল আজহার দিন ঢাকা ছাড়ছেন।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, বাস কাউন্টারগুলো খোলা রয়েছে। যাত্রীর উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

ছোট্ট শিশু, স্ত্রীকে নিয়ে সাতক্ষীরা লাইনের টিকিট কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন মো. আবদুল হাদি। তাঁরা যাবেন সাতক্ষীরায়। ঈদের দিন সকালে রওনা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে আবদুল হাদি বলেন, ‘বিপণনে কাজ করি। গতকাল পর্যন্ত ডিউটি ছিল। চাইলে গত রাতে রওনা দিতে পারতাম। পরিবার নিয়ে যেতে হবে, তাই রাতে রওনা দিইনি।’

খুলনায় যাবেন মো. মাসুদ নামের আরেক যাত্রী। তিনি জানান, ‘ঈদের আগে যাত্রীর প্রচুর চাপ থাকে। এই সময় গ্রামে যাওয়া অনেক কষ্টের। মূলত এই কারণেই আগে যাইনি। আজ একটু আরামে যাব।’

ছোট বাচ্চা ও নানিকে নিয়ে যশোর যাবেন সালমা রহমান। তিনি জানান, ‘আগে টিকিট পাইনি। বয়স্ক মানুষ, বাচ্চা নিয়ে টিকিট ছাড়া যাওয়া সম্ভব না। তাই গতকাল যাইনি। আজকে টিকিট পেয়েছি। একটু পর বাস ছাড়বে।’

গতকাল বাস না পেয়ে অনেকেই ফিরে গেছেন। এমন একজন অনিক গাইন। তিনি বলেন, ‘গতকাল বাসে সিট পাইনি। তাই ফিরে গেছিলাম। আজকে যাব বলে এসেছি।’

ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালী-আমতলী-খেপুপাড়া-কুয়াকাটা লাইনে চলে গোল্ডেন লাইন। এর কাউন্টার মাস্টার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঈদের দিনও মানুষ গ্রামে যাচ্ছে। তবে সংখ্যায় কম। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৮টি গাড়ি ছেড়েছে। আরও যাবে। বিকেলের দিকে আবার যাত্রী ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

মিজানুর রহমান বলেন, পরশু থেকে আবার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। মানুষের হাতে টাকাপয়সা কম। তাই অন্যান্য বারের চেয়ে হয়তো বিকেলে এবার একটু কম যাবে।