বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এর আগে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের টিকাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে টিকাগ্রহীতাদের কোনো লাইন নেই। টিকাদানকর্মীরা মানুষের জন্য অপেক্ষা করছেন। একটু পর পর এক থেকে দুজন আসছেন, দ্রুত টিকা নিয়ে চলে যাচ্ছেন।

এই কেন্দ্রের দায়িত্বে আছে নারী মৈত্রী নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে জানান, পৌনে দুই ঘণ্টায় টিকা দিয়েছেন মাত্র ১৫ জনকে৷ এর মধ্যে নারী মাত্র একজন। তিনিও দুপুরের পর ভিড় বাড়তে পারে বলে মনে করেন।

সকাল ১০টায় ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র রায়েরবাজার কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রটিতে টিকাগ্রহীতাদের লাইন আছে। তবে খুব লম্বা নয়। নারীদের লাইনে ৪ থেকে ৫ জন আর পুরুষদের ১২ থেকে ১৫ জন।

এই কেন্দ্রে টিকা নিতে আসেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবির শিক্ষার্থী শুভ্র দেব। তিনি বলেন, টিকা কার্ডে তারিখ লেখা ছিল। এ ছাড়া মুঠোফোনে খুদে বার্তাও পেয়েছেন। এভাবেই টিকা দিতে এসেছেন।

টিকাগ্রহীতাদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলের সহকারী রনি হোসেন বলেন, ওয়ার্ডের বেশির ভাগ মানুষ কর্মজীবী। নারীদের অনেকেই বাসাবাড়িতে কাজ করেন। আর পুরুষেরা রিকশা চালান কিংবা সবজি বিক্রি করেন। এরা সাধারণত দুপুরে সময় পান। দুপুরের পর ভিড় বাড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন