default-image

বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা আধুনিক করে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত হবে। উন্নত বিশ্বের বিতরণ ব্যবস্থার মতোই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা হতে যাচ্ছে, যার মূল লক্ষ্যই হবে গ্রাহকসেবা বৃদ্ধি।

আজ শনিবার ‘রাজধানীতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূ-গর্ভস্থ বিতরণ লাইন’ শীর্ষক ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। ওয়েবিনারের আয়োজন করে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স, বাংলাদেশ (এফইআরবি)। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতকে ডিজিটালাইজড করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রাহকদের বিলিং-সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে রক্ষা করে সাশ্রয়ী হতে সহায়তা করবে স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, স্ক্যাডা, ইআরপি, স্মার্ট গ্রিড, স্মার্ট মিটার, জিআইএস ম্যাপিং, আন্ডারগ্রাউন্ড কেবলিং, আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশন, প্রি-পেইড মিটারিং ব্যবস্থা, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, অনলাইনের মাধ্যমে নতুন সংযোগ, নেট মিটারিং গাইডলাইনের কাজ চলছে। তবে গ্রাহকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৬ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল ও ৯ কোটি টাকা গ্যাসের বিল বকেয়া। নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিচ্ছিন্ন চর বা বিচ্ছিন্ন পাহাড়ি এলাকা ছাড়া সারা দেশই বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে; সার্বিকভাবে যা ৯৯ ভাগেরও বেশি। অফগ্রিড এলাকার ওই অঞ্চলগুলো মুজিব বর্ষেই বিদ্যুতায়ন করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি-ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি-ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কাওসার আমীর আলী। মূল প্রবন্ধে ডিপিডিসি ও ডেসকোর চলমান প্রকল্প, বিদ্যমান সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এফইআরবির চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বুয়েটের অধ্যাপক জিয়াউর রহমান খান, বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি মুহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন