বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হলগুলো খুলে দেওয়ার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অছাত্রদের বিতাড়ন, গণরুমব্যবস্থা বিলোপ ও স্বাস্থ্যবিধি নীতিমালা এসওপি কার্যকর করার ঘোষণা দেয়। হল খোলার দিন গণমাধ্যমের কর্মীদের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তোড়জোড় দেখালেও পরদিন থেকেই আর তা দেখা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর থেকে অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র থাকা সাপেক্ষে স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের হলে তোলার কথা ছিল। কিন্তু অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীরাও সেদিন বিকেলের পর থেকে হলে উঠতে থাকেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ছাত্রদের প্রতিটি হলে অছাত্ররাও উঠে পড়েছেন। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়েও নেই নজরদারি। হলে হলে কক্ষ দখল ও আধিপত্য বিস্তারের পুরোনো প্রবণতা আবার ফিরে আসছ, যার বহিঃপ্রকাশ এস এম হলের বুধবারের ঘটনা।

এমন পরিস্থিতিতে কাল রোববার থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের হলে উঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গণরুমগুলোতে গাদাগাদি করে মূলত প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা থাকেন। আর অনেক অছাত্র থাকেন মূল কক্ষগুলোতে।

আবার প্রথম বর্ষের ওই শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের কর্মসূচিতে যেতে হয়। পোহাতে হয় গেস্টরুমের আতঙ্ক। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, অছাত্র বিতাড়নে ইতিমধ্যে ব্যর্থ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি গণরুমব্যবস্থা বিলোপের ঘোষণা কার্যকর করতে পারবে?
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বাইরে কিংবা অছাত্ররা হলে উঠেছেন, এমন কোনো অভিযোগ থাকলে হল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখবে।’

শিক্ষার্থীরা হলগুলোতে ওঠার পর সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে বলে জানালেন প্রক্টর।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন