বিজ্ঞাপন

কামাল উদ্দিন বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হলো এই দুই বছরেও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে হাজি সেলিম সহযোগিতা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমরা এই এলাকায় কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স দিচ্ছি না।’

default-image

হাজি সেলিম কথা বলতে না পারায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তাঁর ছোট ছেলে সোলায়মান সেলিম। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন ২০টি পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই সহযোগিতা দেওয়া হবে। এই এলাকায় এখনো কারা কেমিক্যাল ব্যবসা করছে, তা আমরা চিহ্নিত করতে পারছি না। তবে এখানে হাজি সেলিম সাহেব কাউকেই কেমিক্যাল ব্যবসা করতে দেবেন না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কবে নাগাদ এই ব্যবসা এখান থেকে সরানো যাবে, তা তিনি বলতে পারছেন না।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সংস্থার সভাপতি নাসির উদ্দিন।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানান। কয়েকজন অভিযোগ করলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটির তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকন ক্ষতিগ্রস্তদের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে অস্থায়ী নিয়োগ পেয়েছেন।

এমনই একজন নূর নবী। অগ্নিকাণ্ডে তাঁর বাবা মারা যান। তিনি বলেন, ‘আমরা তো পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরির জন্য পড়ালেখা করিনি।’ নূর নবী ও অন্যরা যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি অথবা বর্তমান চাকরি স্থায়ী করার জন্য দাবি জানান।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন