সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নিউমার্কেটের দোকান মালিক ও কর্মচারী এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের কেউ রাস্তায় নামেননি। এই পরিস্থিতিতে বিকেলে ঢাকা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন দোকান খোলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর আশপাশের মার্কেটগুলোর দোকান খুলতে শুরু করে।

কিন্তু বিকেল পাঁচটার দিকে ঢাকা কলেজের পাশে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এরপর যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ককটেল বিস্ফোরণের পর ঢাকা কলেজ থেকে ৬০ থেকে ৭০ জনের একটি দল বের হয়ে আসে। পরে পুলিশের অনুরোধ ঢাকা কলেজের শিক্ষকেরা এসে শিক্ষার্থীদের ভেতরে নিয়ে যান। এ ঘটনার আধা ঘণ্টা পর এ সড়কে আবার যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

তবে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের আর দোকান খোলা হয়নি। সন্ধ্যা সাতটার দিকে নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, আশপাশের অন্যান্য বিপণীবিতান খুললেও নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা এখনো দোকানপাট খোলেনি। নিউমার্কেটের চারটি প্রধান ফটক এখনও বন্ধ আছে। এখন মার্কেটের দোকানগুলো পরিষ্কার ও গোছগাছ করা হচ্ছে।

default-image

আমিনুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের পরে আমরা সন্ধ্যা নাগাদ মার্কেট খোলার একটা সিদ্ধান্ত ছিল আমাদের। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে আবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এখন আবার তারাবীর সময় শুরু হয়েছে। তাই সবার সঙ্গে কথা বলে ও গোছগাছ শেষ করে আগামীকাল থেকে নিউ মার্কেটের সব দোকান খুলবে বলে আশা করছি।’

এদিকে বিরোধ নিরসনে আজ ইফতারের পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন