বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, পরিবারের কাছ থেকে খবর পেয়ে তারা রাসেলের বাসায় যায়। বাসার একটি কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাঁর ঝুলে থাকা লাশ পাওয়া যায়।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাতের খাবার খেয়ে রাসেল তাঁর কক্ষে যান। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ডাকাডাকি করেন। কক্ষের ভেতর থেকে তাঁর সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙেন। দরজা ভাঙার পর কক্ষের সিলিং ফ্যানে তাঁর ঝুলন্ত নিথর দেহ দেখতে পান তাঁরা। পরে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ জানায়, বাসাটিতে রাসেলের সঙ্গে তাঁর মা ও ছোট ভাই থাকেন। দেড় বছর ধরে রাসেল চাকরিহীন ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।

এডিসি হাফিজ আল ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, রাসেলের কক্ষে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে। এতে লেখা রয়েছে, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেহ দায়ী নয়।’ হাতের লেখা রাসেলের বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন তাঁর পরিজন ও বন্ধুরা। তবে এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। রাসেল আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

রাসেলের লাশ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন